ফেসবুক বিজ্ঞাপন চালানোর জন্য একটা আকর্ষণীয় ল্যান্ডিং পেজ থাকা জরুরি, কিন্তু নিজে ডিজাইন করার জন্য প্রোগ্রামিং জ্ঞান বা একজন ডিজাইনার নিয়োগ করার বাজেট — দুটোই বেশিরভাগ ছোট ব্যবসার জন্য বড় বাধা। ফলে অনেকেই ভালো একটা প্রোডাক্ট থাকা সত্ত্বেও পেশাদার-মানের ল্যান্ডিং পেজ ছাড়াই ক্যাম্পেইন চালাতে বাধ্য হন।
৮টা ভিন্ন ডিজাইন থেকে বেছে নিন
Sellsull-এ ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করার সময় ৮টা আলাদা রেডিমেড ডিজাইন থেকে যেকোনো একটা বেছে নেওয়া যায় — প্রতিটার নিজস্ব রঙ ও লেআউট স্টাইল আছে, যাতে বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট বা ব্র্যান্ডের সাথে মানানসই একটা বেছে নেওয়া যায়। কোনো কোড লেখা লাগে না — শুধু ডিজাইন সিলেক্ট করে নিজের প্রোডাক্টের তথ্য, ছবি আর দাম বসিয়ে দিলেই পেজ তৈরি হয়ে যায়।
যতগুলো দরকার ততগুলো বানানো যায়
একটা ল্যান্ডিং পেজেই আটকে থাকতে হয় না — প্রতিটা প্রোডাক্টের জন্য, এমনকি একই প্রোডাক্টের ভিন্ন ভিন্ন ক্যাম্পেইনের জন্যও আলাদা আলাদা ল্যান্ডিং পেজ বানানো যায়, এই ৮টা ডিজাইনের যেকোনো একটা বেছে নিয়ে। পেজের সংখ্যার কোনো সীমা নেই, শুধু ডিজাইন বেছে নেওয়াটা এই ৮টার মধ্যে থেকেই করতে হয়।
বিজ্ঞাপন চালানোর জন্য প্রস্তুত গঠন
প্রতিটা ডিজাইনেই প্রোডাক্ট বিবরণ, ছবি, দাম, রিভিউ, ফিচার তালিকা আর অর্ডার ফর্ম — এই মূল অংশগুলো আগে থেকেই সাজানো থাকে, যেটা সাধারণত একটা ভালো কনভার্শন-ফোকাসড ল্যান্ডিং পেজে থাকা দরকার। ভেন্ডরকে শুধু নিজের কনটেন্ট বসাতে হয়, পুরো লেআউট নতুন করে সাজাতে হয় না।
প্রয়োজনে যেকোনো সময় বদলানো যায়
একটা ডিজাইন দিয়ে শুরু করে পরে মনে হলে ভিন্ন কোনো ডিজাইনে পরিবর্তন করাও সম্ভব — একটা নির্দিষ্ট ক্যাম্পেইনের রেজাল্ট বা প্রোডাক্টের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন ডিজাইন পরীক্ষা করে দেখা যায় কোনটাতে ভালো ফল আসছে।
দ্রুত লঞ্চ করা যায়
ডিজাইনার খুঁজে বের করা, ডিজাইন রিভিউ করা, কোডিং করানো — এই পুরো প্রক্রিয়া সাধারণত দিন বা সপ্তাহ সময় নিতে পারে। রেডিমেড ডিজাইন ব্যবহার করলে একটা ক্যাম্পেইনের জন্য ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করতে সময় লাগে মাত্র কয়েক মিনিট — বিজ্ঞাপন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে আসলে লাইভ হওয়া পর্যন্ত দূরত্ব অনেক কমে যায়।
যাদের নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে দ্রুত ক্যাম্পেইন শুরু করতে হয়, তাদের জন্য এই রেডিমেড ডিজাইনগুলো ডিজাইন-সংক্রান্ত সময় ও খরচ দুটোই উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।