ঈদ, পহেলা বৈশাখ বা যেকোনো উৎসবের সময় মানুষ এমনিতেই কেনাকাটার মুডে থাকেন — এই সময়টা সঠিকভাবে ব্যবহার করলে বছরের বাকি সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি বিক্রি সম্ভব। কিন্তু পরিকল্পনা ছাড়া সিজনাল সেল করলে শুধু ডিসকাউন্টেই মার্জিন হারিয়ে যায়।
আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু করুন
সেলের ঠিক আগের দিন ডিসকাউন্ট ঘোষণা করলে কাস্টমারের কাছে পৌঁছানোর সময় পাওয়া যায় না। উৎসবের কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই "আসছে বড় সেল" জাতীয় প্রি-অ্যানাউন্সমেন্ট দিলে কাস্টমার অপেক্ষা করেন এবং সেল শুরু হওয়ার সাথে সাথেই অর্ডার করেন।
ফ্ল্যাশ সেল — সময়ের চাপ তৈরি করে
মাত্র কয়েক ঘণ্টা বা একদিনের জন্য নির্দিষ্ট প্রোডাক্টে বড় ডিসকাউন্ট দিলে কাস্টমার দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। এই ধরনের সেল স্টক শেষ হওয়া বা ধীরগতির প্রোডাক্ট দ্রুত সরানোর জন্যও কার্যকর।
সব প্রোডাক্টে একসাথে ডিসকাউন্ট না দিয়ে বেছে দিন
পুরো ক্যাটালগে ডিসকাউন্ট দিলে মার্জিন ব্যাপকভাবে কমে যায়। বরং যেই প্রোডাক্টগুলোর স্টক বেশি বা মার্জিন ভালো, সেগুলোতে টার্গেটেড ডিসকাউন্ট দিলে লাভ ও বিক্রি — দুটোই ব্যালেন্স থাকে।
স্টক ও ডেলিভারি ক্যাপাসিটি আগেই যাচাই করুন
বড় সেলের সময় হঠাৎ অনেক অর্ডার এলে যদি স্টক বা ডেলিভারি সামলানো না যায়, তাহলে সেটা কাস্টমার অভিজ্ঞতা নষ্ট করে। সেল শুরুর আগে ইনভেন্টরি ও ডেলিভারি টিম দুটোই প্রস্তুত রাখা জরুরি।
সেল শেষেও যোগাযোগ রাখুন
সেলের সময় যারা প্রথমবার অর্ডার করলেন, তাদের অনেকেই নিয়মিত কাস্টমার হতে পারেন — যদি সেলের পরও তাদের সাথে যোগাযোগ রাখা হয়। শুধু একটা সেলের জন্য না, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক তৈরির সুযোগ হিসেবে দেখুন।
সিজনাল সেল সঠিক পরিকল্পনায় করলে এটা শুধু এক দিনের বিক্রি বাড়ায় না, বছরের বাকি সময়ের জন্যও নতুন কাস্টমার তৈরি করে দেয়।